এই ক্লাব থেকে অনেক পেয়েছেন, দিয়েছেন সাফল্যও। সেই ক্লাবই এখন তাঁর কাছে বীতশ্রদ্ধ একটি জায়গা!
মামুনুল ইসলাম এমনও বলে দিলেন, আর কখনো শেখ জামালে খেলবেন না। পরের বাক্যটা আরও কঠোর, ‘শেখ জামালে খেলতে কেউ জোরাজুরি করলে ফুটবলই ছেড়ে দেব!’
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ তাঁর। পরশু সংবাদ সম্মেলনে ক্লাবটির সভাপতি মনজুর কাদেরের বিভিন্ন দাবি ও বক্তব্য নিয়ে এই মিডফিল্ডার কাল ফোনে জবাব দিলেন কক্সবাজার থেকে।
মামুনুলসহ দলত্যাগী নয়জনকে এখনো নিজেদের বলেই দাবি করেছেন মনজুর কাদের। নতুন মৌসুমের জন্য মামুনুল অগ্রিম নিয়েও শেখ জামালে যাচ্ছেন না—এমন দাবি করে কিছু কাগজপত্রও পরশু সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেন শেখ জামাল সভাপতি।
দাবিটা উড়িয়ে দিয়েছেন সর্বশেষ বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক, ‘১৪ মাস পরও আমরা এই টিমের খেলোয়াড় হই কি করে? ১০ মাসে মৌসুম, কাজেই চার মাস আগেই শেখ জামালের সঙ্গে আমাদের চুক্তি শেষ।’ নতুন মৌসুমের জন্য চুক্তি ৫০ লাখ টাকা এবং অগ্রিম হিসেবে প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে শেখ জামাল অভিযোগ প্রসঙ্গে তাঁর কথা, ‘চুক্তি করার প্রশ্নই আসে না। আমি সাড়ে ১২ লাখ টাকার চেক নিয়েছি। এর মধ্যে সাড়ে ১১ লাখ টাকার মতো গত মৌসুমে পাওনা।’ নতুন মৌসুমের জন্য যদি কিছু দেখানো হয়ে থাকে হয়তোবা আমার সই জাল করা হয়েছে। আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ১৫ লাখ টাকার চেক জমা পড়লে যে শাস্তি হবে মাথা পেতে নেব।’
উল্টো শেখ জামালের বিরুদ্ধেই অভিযোগ মামুনুলের, ‘নতুন মৌসুমে থাকার জন্য ও ক্ষমা চাওয়ার জন্য জোর করে একটা কাগজে আমার কাছ থেকে সই নিয়েছে শেখ জামাল। সই না করলে সাসপেন্ড করার হুমকি দেওয়া হয়।’ প্রয়োজনীয় প্রমাণ নিয়ে শেখ জামালের ফিফা-এএফসিতে যাওয়ার হুমকি প্রসঙ্গেও মামুনুল শঙ্কার কিছু দেখছেন না। বরং আইনি পথে হাঁটার চিন্তা করছেন, ‘আমি অগ্রিম কোনো পারিশ্রমিক নিইনি, তারপরও যখন বলা হয়েছে আমি নিয়েছি, এতে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমরা নয়জনের কেউই অগ্রিম পাইনি। রাজু, তকলিচ, রনি ও রুবেল মিয়া নতুন মৌসুমে থাকবে না বলে তাদের গত মৌসুমের বকেয়া টাকাও দেওয়া হয়নি। অভিযোগটা যিনি করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে আমরা ৯ খেলোয়াড়ই প্রয়োজনে আদালতে যাব।’
ওদিকে নয়জন খেলোয়াড় ফেরত চেয়ে বাফুফেকে গতকাল পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল শেখ জামাল। বিষয়টা নিয়ে আজ অলিখিত জরুরি সভায় বসছে ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটি। তার আগে কাল বাফুফের সহসভাপতি বাদল রায় সব পক্ষের ওপরই কমবেশি দোষ চাপিয়েছেন। শেখ জামালকে নিয়ে বাদল রায় বলেছেন, ‘ওরা অনেক বাড়াবাড়ি করছে।’ ফেডারেশনের ভুলও তাঁর চোখে পড়েছে, ‘যেহেতু বিতর্ক হচ্ছিল, তাই খেলোয়াড় কখন মুক্ত হবে সেটা আগেই ফেডারেশনের পরিষ্কার করা উচিত ছিল। তবে বাদল খেলোয়াড়দেরই বেশি দোষ দেখেন, ‘খেলোয়াড়েরা দুই ক্লাব থেকে টাকা নেয় যে কারণে এই ঝামেলা।’
শেখ জামালের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালের অভিযোগ
দলটিতে খেলতে কেউ জোরাজুরি করলে খেলাই ছেড়ে দেবেন!
প্রয়োজনে আদালতে যাবেন। তবুও যাবেন না শেখ জামালে।
মামুনুল ইসলাম এমনও বলে দিলেন, আর কখনো শেখ জামালে খেলবেন না। পরের বাক্যটা আরও কঠোর, ‘শেখ জামালে খেলতে কেউ জোরাজুরি করলে ফুটবলই ছেড়ে দেব!’
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ তাঁর। পরশু সংবাদ সম্মেলনে ক্লাবটির সভাপতি মনজুর কাদেরের বিভিন্ন দাবি ও বক্তব্য নিয়ে এই মিডফিল্ডার কাল ফোনে জবাব দিলেন কক্সবাজার থেকে।
মামুনুলসহ দলত্যাগী নয়জনকে এখনো নিজেদের বলেই দাবি করেছেন মনজুর কাদের। নতুন মৌসুমের জন্য মামুনুল অগ্রিম নিয়েও শেখ জামালে যাচ্ছেন না—এমন দাবি করে কিছু কাগজপত্রও পরশু সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেন শেখ জামাল সভাপতি।
দাবিটা উড়িয়ে দিয়েছেন সর্বশেষ বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক, ‘১৪ মাস পরও আমরা এই টিমের খেলোয়াড় হই কি করে? ১০ মাসে মৌসুম, কাজেই চার মাস আগেই শেখ জামালের সঙ্গে আমাদের চুক্তি শেষ।’ নতুন মৌসুমের জন্য চুক্তি ৫০ লাখ টাকা এবং অগ্রিম হিসেবে প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে শেখ জামাল অভিযোগ প্রসঙ্গে তাঁর কথা, ‘চুক্তি করার প্রশ্নই আসে না। আমি সাড়ে ১২ লাখ টাকার চেক নিয়েছি। এর মধ্যে সাড়ে ১১ লাখ টাকার মতো গত মৌসুমে পাওনা।’ নতুন মৌসুমের জন্য যদি কিছু দেখানো হয়ে থাকে হয়তোবা আমার সই জাল করা হয়েছে। আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাড়ে ১৫ লাখ টাকার চেক জমা পড়লে যে শাস্তি হবে মাথা পেতে নেব।’
উল্টো শেখ জামালের বিরুদ্ধেই অভিযোগ মামুনুলের, ‘নতুন মৌসুমে থাকার জন্য ও ক্ষমা চাওয়ার জন্য জোর করে একটা কাগজে আমার কাছ থেকে সই নিয়েছে শেখ জামাল। সই না করলে সাসপেন্ড করার হুমকি দেওয়া হয়।’ প্রয়োজনীয় প্রমাণ নিয়ে শেখ জামালের ফিফা-এএফসিতে যাওয়ার হুমকি প্রসঙ্গেও মামুনুল শঙ্কার কিছু দেখছেন না। বরং আইনি পথে হাঁটার চিন্তা করছেন, ‘আমি অগ্রিম কোনো পারিশ্রমিক নিইনি, তারপরও যখন বলা হয়েছে আমি নিয়েছি, এতে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমরা নয়জনের কেউই অগ্রিম পাইনি। রাজু, তকলিচ, রনি ও রুবেল মিয়া নতুন মৌসুমে থাকবে না বলে তাদের গত মৌসুমের বকেয়া টাকাও দেওয়া হয়নি। অভিযোগটা যিনি করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে আমরা ৯ খেলোয়াড়ই প্রয়োজনে আদালতে যাব।’
ওদিকে নয়জন খেলোয়াড় ফেরত চেয়ে বাফুফেকে গতকাল পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল শেখ জামাল। বিষয়টা নিয়ে আজ অলিখিত জরুরি সভায় বসছে ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটি। তার আগে কাল বাফুফের সহসভাপতি বাদল রায় সব পক্ষের ওপরই কমবেশি দোষ চাপিয়েছেন। শেখ জামালকে নিয়ে বাদল রায় বলেছেন, ‘ওরা অনেক বাড়াবাড়ি করছে।’ ফেডারেশনের ভুলও তাঁর চোখে পড়েছে, ‘যেহেতু বিতর্ক হচ্ছিল, তাই খেলোয়াড় কখন মুক্ত হবে সেটা আগেই ফেডারেশনের পরিষ্কার করা উচিত ছিল। তবে বাদল খেলোয়াড়দেরই বেশি দোষ দেখেন, ‘খেলোয়াড়েরা দুই ক্লাব থেকে টাকা নেয় যে কারণে এই ঝামেলা।’
শেখ জামালের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালের অভিযোগ
দলটিতে খেলতে কেউ জোরাজুরি করলে খেলাই ছেড়ে দেবেন!
প্রয়োজনে আদালতে যাবেন। তবুও যাবেন না শেখ জামালে।

