আন্তঃকলেজ
ফুটবলের ময়মনসিংহ অঞ্চলের খেলা চলছে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের কেবল কয়েক মিনিট
পেরিয়েছে। খেলায় ময়মনসিংহের সৈয়দ নজরুল কলেজ দাপুনিয়া কলেজের সাথে ১-১ গোলে সমতা
বিরাজ করছে। এমন সময় সৈয়দ নজরুলের মিডফিল্ডারের বিপক্ষ দলের দুইজনকে কাটিয়ে বক্সের
অনেক বাইরে থেকে দুর্দান্ত শর্ট।দেখতে দেখতে বল জালে জরিয়ে গেল।বিপক্ষ দলের
গোলকিপারের গোলটি দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিলনা।মাঠের সমস্ত দর্শক অবাক চোখে তাকিয়ে
আছে গোলস্কোরারের দিকে। টানা চার ম্যাচে সাত গোল করে একাই দলকে ফাইনালে তোলার
নায়কটির নাম আইয়ুব আলী।দলকে ফাইনালে তোলার পথে চার ম্যাচের তিনটিতেই জোড়া গোলসহ
মোট সাতটি গোল তার, সাথে একটি এসিস্ট। দলের সেরা খেলোয়ার হওয়ার
ফলে দলের অধিনায়কের বাহুবন্ধনীও তার কাধে।প্রত্যেকটি ম্যাচেই দলকে জেতাতে রয়েছে
তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা।আগের ম্যাচেই দু্র্দান্ত ফ্রিকিকে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো
সে।সেমিফাইনালে দলের ২-১ গোলের জয়ে দুটি গোলই তার। প্রথম গোলটিও দুর্দান্ত।পাঁচজন
খেলোয়ারকে কাটিয়ে দর্শনীয় গোলটি সে করে। দলে তার ভূমিকা মূলত একজন প্লে মেকার
হিসেবে।তবে তার গোল স্কোরিং এবিলিটি যে দুর্দান্ত তা আর বলে দিতে হয়না।বাংলাদেশ
জাতীয় দলের অধিনায়ক মামুনুলের সাথে দলে তার ভূমিকার মিল রয়েছে।তবে মামুনুলের মতো
বামপায়ের নয়,দুইপায়েই বেশ ভালো দক্ষ আইয়ুব।এখন দেখার বিষয় সে বাংলাদেশকে কিছু দিতে পারে
কিনা,নাকি হাজারো সুপ্ত প্রতিভার মতো অগোচরেই রয়ে যাবে সময়ই বলে দেবে তা।
অমর্ত্য দাস দীপ
